এ ছাড়া তিনি জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস, রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভ, মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও, যুক্তরাজ্যের ডেভিড ল্যামি, ফ্রান্সের জ্যাঁ-নোয়েল বারো, দক্ষিণ কোরিয়ার চো তায়ে-ইউল, ডেনমার্কের লার্স লকে রাসমুসেন, সিয়েরা লিওনের টিমোথি মুসা কাব্বা, আলজেরিয়ার আহমেদ আতাফ, গায়ানার হিউ হিলটন টড, স্লোভেনিয়ার তানজা ফায়োন, সোমালিয়ার আব্দিসালাম আব্দি আলি ও পানামার জাভিয়ের মার্তিনেজ-আচা ভাসকেসের সঙ্গে যোগাযোগ করেন।
গত শুক্রবার জাতিসংঘে পাকিস্তানের স্থায়ী প্রতিনিধি আসিম ইফতিখার আহমদ এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘আমরা মনে করি, পরিস্থিতি বিবেচনায় যখন প্রয়োজন মনে করব, তখনই বৈঠক ডাকার অধিকার আমাদের রয়েছে।’
তিনি আরো বলেন, ‘বর্তমানে যা ঘটছে, তার পেছনে রয়েছে জম্মু ও কাশ্মীর পরিস্থিতির পটভূমি। একটি ঘটনা ঘটেছে, সেটি সত্য, কিন্তু তারপর যা তৈরি হয়েছে, তা শুধু আঞ্চলিক নয়, আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তার জন্যও হুমকি। তাই নিরাপত্তা পরিষদের এটি আলোচনায় আনার অধিকার রয়েছে। আমরা আগের ও বর্তমান সভাপতির সঙ্গেও আলোচনা করেছি। আমরা নিবিড়ভাবে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছি।’
গত সপ্তাহে তিনি জাতিসংঘ মহাসচিব গুতেরেসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে পরিস্থিতি সম্পর্কে তাকে অবহিত করেন।







