রোববার (২৯ মার্চ) জাতীয় সংসদে ৭১ বিধিতে গাইবান্ধা-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ শামীম কায়সারের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ তথ্য তুলে ধরেন।
তিনি বলেন, পূর্ববর্তী সরকারের আমলে স্বাস্থ্য খাতে অনিয়ম ও দুর্নীতির কারণে উন্নয়ন কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ২৫০ শয্যার হাসপাতালগুলোর নির্মাণকাজে নিম্নমানের পরিকল্পনা ও ত্রুটি ছিল। উদাহরণ হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন, অনেক ক্ষেত্রে হাসপাতালের প্রবেশপথের পাশেই বাথরুম স্থাপন করা হয়েছে, যা ব্যবহারে চরম ভোগান্তি তৈরি করছে।
মন্ত্রী আরও বলেন, দ্রুত অর্থ আত্মসাতের উদ্দেশ্যে এসব প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়েছিল, ফলে কাঠামোগত মান ও পরিকল্পনায় বড় ধরনের ঘাটতি দেখা দিয়েছে।
বর্তমান পরিস্থিতি তুলে ধরে তিনি বলেন, স্বাস্থ্য খাতে উন্নয়নমূলক ব্যয়ের জন্য কোনো অর্থ অবশিষ্ট নেই। এমনকি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোতে গজ, ব্যান্ডেজ ও সিরিঞ্জ কেনার মতো প্রয়োজনীয় অর্থেরও সংকট রয়েছে।
তিনি জানান, দেশের স্বাস্থ্য খাতের এই সংকট নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে একাধিকবার আলোচনা হয়েছে। আগামী বাজেটের পর সীমিত সম্পদের মধ্য থেকেই পর্যায়ক্রমে উপজেলা পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবা উন্নত করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।
সরকার ধীরে ধীরে জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে কাজ করবে বলেও জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী।







