পৃষ্ঠপোষকতার অর্থনীতি চলতে দেওয়া যাবে না জানিয়েছেন নতুন অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেছেন, অর্থনীতিতে গণতন্ত্র আনতে হবে।
আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানান, আমাদের প্রতিষ্ঠানগুলোর খুব খারাপ অবস্থা। তাই সবার আগে এই প্রতিষ্ঠানগুলোর পুনরুদ্ধার কীভাবে করা যায় তা নির্ধারণ করতে হবে। প্রতিষ্ঠানগুলোতে পেশাদারিত্ব প্রতিষ্ঠা করতে হবে, স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে হবে এবং দক্ষতা বৃদ্ধি করতে হবে। এসব উপাদান অনুপস্থিত থাকলে আমরা যত বড় কর্মসূচিই গ্রহণ করি না কেন, তা কাঙ্ক্ষিত ফল বয়ে আনবে না।
পৃষ্ঠপোষকতার অর্থনীতি চলতে দেওয়া যাবে না উল্লেখ করে নতুন অর্থমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের অর্থনীতি সব মানুষের জন্য হতে হবে। লেভেল প্লেইং ফিল্ড থাকতে হবে এবং বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষের জন্য যেন সুযোগ থাকে অর্থনীতিতে অংশগ্রহণ করার। একইসঙ্গে অর্থনীতির সুফল যেন তাদের কাছে যায়।
তিনি বলেন, এগুলো সফল করতে হলে ডিরেগুলেটেড (সরকারি নিয়ন্ত্রণ কমানো) করতে হবে। অলরেডি বাংলাদেশে অভার রেগুলেটেড হয়ে গেছে। পৃষ্ঠপোষকতা রাজনীতি করতে গিয়ে ওভার রেগুলেটেড হয়ে গেছে। সিরিয়াসলি ডিরেগুলেটেড করতে হবে।
অর্থনীতিতে নিয়ন্ত্রণ শিথিল করা হবে জানিয়ে আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, লিবারলাইজেশন করতে হবে। লেভেল প্লেইং ফিল্ড করতে হবে। যাতে সবার সমান অধিকার থাকে। অর্থনীতিতে অংশগ্রহণ করার জন্য এবং অর্থনীতির সুফল যাতে সবার কাছে যাই এটা নিশ্চিত করা হবে জানান অর্থমন্ত্রী।
আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-১১ আসনে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য। বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই সদস্য এর আগে ২০০১ সালে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের সময় বাণিজ্য মন্ত্রীর দায়িত্বে ছিলেন।







