মায়ানমার জাতিসংঘের সর্বোচ্চ আদালতে দ্য গাম্বিয়ার আনা অভিযোগের বিরুদ্ধে আত্মপক্ষ সমর্থন করছে। দ্য গাম্বিয়া অভিযোগ করেছে, রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে মিয়ানমারের কর্মকাণ্ড ১৯৪৮ সালের জাতিসংঘ গণহত্যা সনদের লঙ্ঘন।
মায়ানমার দীর্ঘদিন ধরে বলে আসছে, ২০১৭ সালে তাদের সশস্ত্র বাহিনী যে অভিযান চালায়, তা ন্যায্য ছিল। ওই সময় একাধিক হামলায় এক ডজন নিরাপত্তা সদস্য নিহত হওয়ার পর রোহিঙ্গা বিদ্রোহীদের নির্মূল করতেই এই অভিযান চালানো হয়।
তিনি আরো বলেন, ‘এই হামলাগুলোই তথাকথিত “ক্লিয়ারেন্স অপারেশন”-এর কারণ ছিল, যা একটি সামরিক পরিভাষা এবং বিদ্রোহ দমন বা সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানের নির্দেশ করে।’
বিচারকরা তিন সপ্তাহ ধরে প্রমাণ শুনবেন, এরপর সিদ্ধান্ত নেবেন রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে সহিংস কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে মায়ানমার গণহত্যা সনদ লঙ্ঘন করেছে কি না।
এই সনদের আওতায় কোনো রাষ্ট্র যদি মনে করে যে লঙ্ঘন হয়েছে, তবে সে আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে অন্য যেকোনো রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে মামলা করতে পারে।
হ্লাইং বলেন, ‘গণহত্যার দায় প্রমাণিত হলে তা আমার দেশ ও জনগণের ওপর এক অমোচনীয় কলঙ্ক হয়ে থাকবে।’
তিনি যোগ করেন, ‘এই কার্যক্রমগুলো আমার দেশের সুনাম ও ভবিষ্যতের জন্য মৌলিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।







