ফটিকছড়িতে শিবির কর্মীকে গুলি করে হত্যা, আহত ১

চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে শিবিরকর্মী জামাল উদ্দিনকে (৩২) হত্যা করা হয়েছে। কুড়িগ্রামে চোর সন্দেহে গণপিটুনিতে এক যুবক নিহত হয়েছেন। এ ছাড়া বরগুনা, কিশোরগঞ্জ ও রাঙ্গুনিয়ায় আরও তিনজনকে হত্যার খবর পাওয়া গেছে।

ফটিকছড়ি উপজেলার লেলাং ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য সরোয়ার হোসেন জানান, শাহনগর দিঘিরপাড়ে গতকাল শনিবার রাত ৭টা ৫০ মিনিটের দিকে বহিরাগত কয়েক সশস্ত্র ব্যক্তি এসে জামালকে লক্ষ্য করে গুলি চালিয়ে দ্রুত পালিয়ে যায়। ঘটনাস্থলে তাঁর মৃত্যু হয়।

হামলায় আরও একজন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। থানা জামায়াতের আমির নাজিমউদ্দিন বলেন, নিহত জামাল শিবিরের কর্মী। ফটিকছড়ি থানার পরিদর্শক (তদন্ত) রফিকুল ইসলাম এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এদিকে কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার কাচিচর ফারাজিপাড়ায় চোর সন্দেহে অজ্ঞাতপরিচয় যুবককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। গত শুক্রবার রাতে ওই যুবক ফারাজিপাড়ায় চুরি করতে যান বলে সন্দেহ করা হয়। এ সময় স্থানীয় লোকজন বিষয়টি টের পেয়ে তাঁকে ধরে ফেলেন। পরে উত্তেজিত জনতা তাঁকে মারধর করলে ঘটনাস্থলে তাঁর মৃত্যু হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তিনজনকে আটক করা হয়েছে। কুড়িগ্রাম সদর থানার ওসি জাহাঙ্গীর আলম জানান, নিহতের নাম-পরিচয় জানা যায়নি।

আরও পড়ুন:  নির্বাচনের শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষায় ১৩ দিন সশস্ত্র বাহিনী মোতায়েন থাকবে

বরগুনার আমতলী উপজেলার তক্তাবুনিয়া গ্রামে দুই ভাইয়ের বিরোধ থামাতে গিয়ে চাচাতো ভাই জহিরুল ইসলাম (৪০) খুন হয়েছেন। গতকাল শনিবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে বাড়ির সামনে এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত অভিযোগে মো. মুনসুর সিকদারকে (৬৫) ছুরিসহ আটক করেছে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য মুনসুরের স্ত্রীকে থানায় আনা হয়েছে। আমতলী থানার ওসি মো. জাহাঙ্গীর হোসেন এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলার মণ্ডলভোগ গ্রামে গতকাল দুপুরে পারিবারিক কলহে ছেলের ছুরিকাঘাতে বাবার মৃত্যু হয়েছে। নিহতের নাম মো. বজলুর রহমান (৬০)। কটিয়াদী মডেল থানার ওসি মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘এই ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন।’

এ ছাড়া চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার মীরেরখীলে গত শুক্রবার বিকেলে প্রতিপক্ষের হামলায় দিনমজুর শামসুল আলম (৫৮) নিহত হয়েছেন। গতকাল সকালে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। নিহত শামসুল মৃত ইছু মিয়ার ছেলে। দক্ষিণ রাঙ্গুনিয়া থানার ওসি হিলাল উদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘পুলিশ বিষয়টি খতিয়ে দেখছে।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *