গভর্নরের কাছে পাঠানো চিঠিতে বলা হয়, দেশে এলপি গ্যাসের মোট চাহিদার প্রায় ৯৮ শতাংশ বেসরকারি কোম্পানির মাধ্যমে আমদানি করা হয়, যা মূলত শিল্পখাত ও গৃহস্থালি কাজে ব্যবহৃত হয়। শীতকালে বিশ্ববাজারে ও দেশে এলপি গ্যাসের সরবরাহ কমে যাওয়ার পাশাপাশি পাইপলাইনের প্রাকৃতিক গ্যাসের সরবরাহ হ্রাস পাওয়ায় এলপি গ্যাসের চাহিদা বেড়ে যায়। ফলে বর্তমানে বাজারে এলপি গ্যাসের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে, যার প্রভাব সাধারণ জনজীবনে পড়ছে।
এই প্রেক্ষাপটে এলপিজি অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের সাথে অনুষ্ঠিত সভায় এলপি গ্যাসকে গ্রিন ফুয়েল হিসেবে বিবেচনা করে বাণিজ্যিক ব্যাংকসমূহে এলপিজি আমদানির জন্য ঋণ প্রদান ও এলসি খোলার আবেদনগুলো অগ্রাধিকার ভিত্তিতে নিষ্পত্তির অনুরোধ জানানো হয়। পাশাপাশি, এলপিজিকে সবুজ শিল্প হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করে বাংলাদেশ ব্যাংকের গ্রিন ফান্ড থেকে সহজ শর্তে ঋণ সুবিধা দেওয়া হলে খাতটির বিদ্যমান সমস্যা নিরসন এবং সরকার নির্ধারিত দামে এলপিজি সরবরাহ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে বলে জানানো হয়।এমতাবস্থায়, বাজারে এলপি গ্যাসের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে ঋণ ও এলসি সংক্রান্ত আবেদনসমূহ দ্রুত ও অগ্রাধিকার ভিত্তিতে নিষ্পত্তির জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানানো হয়েছে।
২০২৬-০১-০৮







